শ্রীপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা কে সাধারণ সদস্য করা হয়েছে।

Uncategorized

শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি : শ্রীপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা কে সাধারণ সদস্য করা হয়েছে। ১৪ জুলাই ২০২৩ ইং  শ্রীপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সভার অনুষ্ঠিত হয়। দৈনিক ঢাকা পত্রিকা উপজেলা প্রতিনিধি অফিস, ইন্দ্রপুর,  সাফারি পার্ক সংলগ্ন, বাঘের বাজার রোড, শ্রীপুর গাজীপুর। বেলা ১১ টার সাধারণ সবাই শেখ জসিমকে প্রতিষ্ঠাতা থেকে সাধারণ সদস্য পদের নামিয়ে আনেন। দুপুর ১১ টা বা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রমের মধ্যে দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচ্য বিষয় নীতিমালা প্রকাশ ও প্রতিষ্ঠাতার দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গ।

প্রতিষ্ঠাতা শেখ জসিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় সে সংগঠনের নামে চিঠি দিয়ে বিভিন্ন   প্রতিষ্ঠান থেকে  টাকা আনেন যাহা সংগঠনের বদনাম ঘটে। অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং শেখ জসিম নিজে তার সকল অপরাধ স্বীকার করেন এবং ক্ষমা  চায়। শেখ জসিমকে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করা হয়। শর্ত(০১)  প্রতিষ্ঠাতা বলে আর কখনো পরিচয় দিতে পারবে না। শর্ত(০২)  প্রতিষ্ঠাতা আজকে থেকে একজন সাধারণ সদস্য। শর্ত (০৩)  সংগঠনের সুনাম নষ্ট হয়।  সংগঠনের ক্ষতি সাধিত হয়। তাহলে অত্র সংগঠন থেকে তাকে কোনরকম নোটিশ ছাড়াই বহিষ্কার করা হবে।  সাধারণ সভায় নীতিমালা প্রকাশিত হয়। নীতিমালা প্রকাশের আনন্দের সাথে সকলের স্বাক্ষর করেন। সভাশেষে সাফারি পার্কের প্রধান গেটের সামনে সকল সদস্য মিলে আনন্দের সাথে ছবি তোলা হয়।

 শ্রীপুর উপজেলার রিপোর্টার্স ক্লাবের গঠনতন্ত্র


আমাদের লক্ষ্য

আমরা জানি একতাই শক্তি একতাই বল। সংগঠন থেকে আমরা একে অপরের সুখে দুঃখে পাশে দাঁড়াবো। (ইনশাল্লাহ)। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা এ পেশায় কর্মরত থাকা অবস্থায় জীবনে অনেক ঝুঁকি আছে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে সকল সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। আমাদের লেখার মধ্যে সুশৃংখল দেশ গড়ার লক্ষ্যে সর্বদা কাজ করে যাব। সাংবাদিক জাতির বিবেক অর্থাৎ জাতির আয়না তাই আমাদের একটা স্লোগান “বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনই আমাদের অঙ্গীকার” ।

 

নীতিমালা

১| রাষ্ট্র বিরোধী কোন কাজে জড়িত থাকে এমন ব্যক্তি সংগঠনের সদস্য হতে পারবে না। সদস্য হওয়ার পর দেশদ্রোহী কোন কাজে জড়িত হলে কোন নোটিশ ছাড়াই সদস্য পদ বাতিল হবে। ব্যক্তিগত অপরাধ মূলক কাজ করে এমন সদস্যদের জন্য সংগঠন কোন প্রকার দায় বহন করবে না।

২| বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত অনলাইন পত্র-পত্রিকা, প্রিন্ট পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধির পরিচয়পত্র থাকতে হবে।

৩| গাজীপুরের ভোটার অথবা গাজীপুরের প্রতিনিধি হতে হবে।

৪| সংগঠনের ধার্যকিত আনুষ্ঠানিক ও মাসিক চাঁদা প্রদান করতে হবে।

৫| সংগঠনের সুনাম নষ্ট হয় এমন কোন কাজ বা প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে। এরকম কোন আচরণ দেখা গেলে প্রথমবারের মতো তাকে সতর্কতা দেওয়া হবে। দ্বিতীয়বার তার বিরুদ্ধে নোটিশ করা হবে। নোটিসের জবাব সঠিক বা সন্তুষ্ট জনক মনে না হলে পরবর্তীতে জরুরী বৈঠকে কার্যকরী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সদস্য পদ থেকে বাতিল করা হবে।

৬| সংগঠনের মিটিং বা বৈঠকে দুই বারের বেশি অনুপস্থিত থাকিলে চিঠি বা ইমেইল অথবা whatsapp এর মাধ্যমে নোটিশ করা হবে। নোটিশের সঠিক জবাব না দিতে পারলে চতুর্থ মিটিং বা বৈঠকের মাধ্যমে তাকে সদস্য পদ থেকে বাতিল করা হবে।

৭| কেউ যদি ভুয়া তথ্য দিয়ে সংগঠনের সদস্য পদ লাভ করে দ্বিতীয় বৈঠকে সদস্য পদ বাতিল করা হবে। তবে দ্বিতীয় বৈঠকে যদি তথ্য হালনাগাদ করতে পারে তাহলে সদস্য পদ বহল থাকবে।

৮| কার্যকরী কমিটির মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হবে।

৯| কার্যকরী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে কেউ মারা গেলে বা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে সে ক্ষেত্রে সহকারী সভাপতি ও সম্পাদকগণ সিরিয়াল অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে এবং তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দ্বারা সভাপতি ও সম্পাদকগণ নির্ধারণ করতে হবে।

১০| কার্যকরী কমিটির দুই বছর পূর্ণ হওয়ার ৪৫ দিনের আগে পরবর্তী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে। নতুন কমিটির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে ৩০ দিন আগে পদত্যাগ করতে হবে। ৩০ দিনের জন্য যেকোনো সাধারণ সদস্য তিনজন দায়িত্ব পালন করবে। দায়িত্ব পালনকারী সদস্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এই তিনজন সদস্য প্রদান প্রধান তিনটি পদের দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনের দুই দিন আগে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সম্পূর্ণ করতে হবে। অত্র সংগঠনের কেউ নির্বাচন কমিশনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না | নির্বাচন কমিটি নিরপেক্ষ ব্যক্তিগণ দ্বারা পরিচালিত করতে হবে।

১১| ভোট গ্রহণে কোন প্রকার অনিয়ম ও ফলাফল প্রকাশে অভিযোগ থাকলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রমাণসহ আবেদন করতে হবে | আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে |

১২| ভোটে নির্বাচিত ব্যক্তিদেরকে দশ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ ও পদ সম্পূর্ণ বুঝিয়ে দিতে হবে।

এই নীতিমালা সংগঠনের প্রয়োজনে পরিবর্তন যোগ্য।

ইহার মধ্যে ভুল থাকিলে কার্যকরী কমিটির তিনটি মিটিং দ্বারা সংশোধন করা যাবে।