জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সম্পর্কে জানেন না অনেক কূটনীতিক

0
0

বাংলারজয় প্রতিবেদক :

১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া প্রথম বাংলা ভাষণ সম্পর্কে বর্তমান অনেক বাংলাদেশি কূটনীতিক জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত আনোয়ারুল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি প্রত্যেক কূটনীতিকের জন্য পাঠ্য হওয়া জরুরি। বুধবার (৭ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে পঞ্চম বঙ্গবন্ধু লেকচার সিরিজ ‘দ্যা বার্থ অব বাংলাদেশ অ্যান্ড ইটস ইন্সপিরেশন লিগ্যাসি ইন গ্লোবাল ডিপ্লোম্যাসি’ শীর্ষক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

আনোয়ারুল করিম চৌধুরী বলেন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন মূর্তপ্রতীক। শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা, মানবাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান অনস্বীকার্য। তার প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই ১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘে যখন তিনি ভাষণ দেন। বঙ্গবন্ধুর তার কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববন্ধু হয়েছেন।

সাবেক জ্যেষ্ঠ এ কূটনীতিক বলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’ তার এই পররাষ্ট্র নীতি সারাবিশ্বে বাংলাদেশকে এনে দিয়েছে গ্রহণযোগ্যতা। ৫০ বছর পরও বৈষম্য দূর করে অধিকার বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, জন-মালের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কিংবা টেকসই উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ প্রাসঙ্গিক।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার অল্প জীবনকালে একটি জাতি বা রাষ্ট্র উপহার দেওয়ার পাশাপাশি দেশের বাইরেও শান্তি ও স্থিতিশীলতা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠস্বর সবসময় সোচ্চার ছিল, জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলা ভাষণই তার প্রমাণ। তারই দেখানো পথে আজ বাংলাদেশে বিশ্বের কাছে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালিউর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতা আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রাখার গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে বহুগুণ। তার দেখানো পথে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, আমাদের অনেক দূর যেতে হবে।

অনুষ্ঠা‌নে আরও বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রস‌চিব মাসুদ বিন মো‌মেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here