১০ হাজার কিলোমিটার নৌ-পথ খননের কাজ এগিয়ে চলছে

0
74
বাংলারজয় প্রতিবেদক :

নাব্যতা হারিয়ে যাওয়া দেশের নদ-নদীগুলোর দশ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নদী ব্যবস্থাপনাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারলে দেশ ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ) আয়োজিত নদী, নৌ-পথ ও পর্যটন খাতের বিকাশে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী খননের জন্য হোপার ড্রেজারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা হবে। নৌ-পথের নাব্যতা বজায় রাখতে সারাবছর বড় ধরণের ও সংরক্ষণ (ক্যাপিটাল ও মেইন্টেনেন্স) ড্রেজিং করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময় এবং শেখ হাসিনার সরকারের সময় ছাড়া বাংলাদেশ সুস্থ্য ধারায় চলেনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার মাঝখানে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা দেশে রক্তপাত, লুটতরাজ ও অসুস্থ ধারা সৃষ্টি করেছিল। এ কারণে নদ-নদীর গতিপথ হারিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে নৌপথ উদ্ধারে কাজ করছি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশকে নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও প্রাজ্ঞ রাজনীতির কারণে সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেশ এগিয়ে চলছে। প্রধানমন্ত্রী ১৬ কোটি মানুষকে সাহসী করে তুলেছেন। স্বপ্নচারিণী শেখ হাসিনা শুধু স্বপ্ন দেখাচ্ছেন না, তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ৭ নভেম্বর রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে খুনিরা দেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। তবে এসব হত্যাকান্ড মানুষ সমর্থন করেনি। যারা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে তারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে টিকে থাকতে পারেনি। টিকে আছে শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছেন তার সুযোগ্যকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সংগঠনের সভাপতি আশীষ কুমার সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক প্রকৌশলী লুৎফর রহমান, নদী গবেষক আমিনুর রসুল বাবু, এসসিআরএফ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ ও বর্তমান সহ-সভাপতি অমরেশ রায়। এসসিআরএফ’র সাধারণ সম্পাদক মহসীনুল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান খান।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here